ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ এশীয় কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সামারার ব্রোঞ্জ জয়

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ এশিয়ার সেরা কারাতেকাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে ক্ষুদে অ্যাথলেট সামারা রহমান। প্রতিযোগিতার অনূর্ধ্ব-১২ কাতা বিভাগে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে সে।

রাজধানীর মিরপুরস্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ১৫ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশ—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার মোট ৫৬৫ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই আসরে ধারাবাহিক নৈপুণ্য প্রদর্শন করে সামারা এই সাফল্য অর্জন করে।

দিনাজপুরের কৃতি সন্তান সামারা রহমান বর্তমানে নোভেলটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি সে ঢাকার এডুস্পোর্টা বাংলাদেশ কারাতে একাডেমিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। শৈশব থেকেই কারাতের প্রতি বিশেষ অনুরাগ এবং কঠোর অনুশীলনের ফলশ্রুতিতে সে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক জিততে সক্ষম হয়েছে।

সামারার এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তার কোচ শরিফ আকন্দ ওয়াফী বলেন, সামারা তার খেলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। একজন কোচের স্বপ্ন ও পরিশ্রমের প্রতিফলন ঘটে তার শিষ্যের নৈপুণ্যে। ম্যাচজুড়ে তার একাগ্রতা ও লড়াকু মনোভাব ছিল সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে সে আরও বড় সাফল্য পাবে বলে আমি আশাবাদী।

ব্রোঞ্জ জয়ের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সামারা রহমান বলে, দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জিততে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই অর্জন আমাকে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে অনুপ্রাণিত করবে। আমার লক্ষ্য হলো নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণপদক জয় করা। এই যাত্রায় আমার কোচ, স্কুল এবং বাবা-মা সবসময় আমাকে সমর্থন জুগিয়েছেন।

সামারার বাবা হাসিনুর রহমান মেয়ের সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, কঠোর পরিশ্রম এবং প্রশিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা তাকে এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আমরা চাই সে ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সম্মান বয়ে আনুক। উল্লেখ্য, কারাতে কেবল একটি খেলা নয়, এটি বিশেষ করে নারী ও শিশুদের আত্মরক্ষা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নিশানায় আমির খান, প্রাণনাশের হুমকিতে তোলপাড় বলিউড

দক্ষিণ এশীয় কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সামারার ব্রোঞ্জ জয়

আপডেট সময় : ০২:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ার সেরা কারাতেকাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে ক্ষুদে অ্যাথলেট সামারা রহমান। প্রতিযোগিতার অনূর্ধ্ব-১২ কাতা বিভাগে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে সে।

রাজধানীর মিরপুরস্থ শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ১৫ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশ—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কার মোট ৫৬৫ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই আসরে ধারাবাহিক নৈপুণ্য প্রদর্শন করে সামারা এই সাফল্য অর্জন করে।

দিনাজপুরের কৃতি সন্তান সামারা রহমান বর্তমানে নোভেলটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি সে ঢাকার এডুস্পোর্টা বাংলাদেশ কারাতে একাডেমিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। শৈশব থেকেই কারাতের প্রতি বিশেষ অনুরাগ এবং কঠোর অনুশীলনের ফলশ্রুতিতে সে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক জিততে সক্ষম হয়েছে।

সামারার এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তার কোচ শরিফ আকন্দ ওয়াফী বলেন, সামারা তার খেলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। একজন কোচের স্বপ্ন ও পরিশ্রমের প্রতিফলন ঘটে তার শিষ্যের নৈপুণ্যে। ম্যাচজুড়ে তার একাগ্রতা ও লড়াকু মনোভাব ছিল সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে সে আরও বড় সাফল্য পাবে বলে আমি আশাবাদী।

ব্রোঞ্জ জয়ের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সামারা রহমান বলে, দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জিততে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই অর্জন আমাকে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে অনুপ্রাণিত করবে। আমার লক্ষ্য হলো নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণপদক জয় করা। এই যাত্রায় আমার কোচ, স্কুল এবং বাবা-মা সবসময় আমাকে সমর্থন জুগিয়েছেন।

সামারার বাবা হাসিনুর রহমান মেয়ের সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, কঠোর পরিশ্রম এবং প্রশিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা তাকে এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আমরা চাই সে ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সম্মান বয়ে আনুক। উল্লেখ্য, কারাতে কেবল একটি খেলা নয়, এটি বিশেষ করে নারী ও শিশুদের আত্মরক্ষা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।