ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

এল সালভাদরে অপরাধী চক্রের সদস্যদের হাজার বছরের কারাদণ্ড

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মাদক চোরাচালান, অর্থ পাচার ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে এল সালভাদরের একটি আদালত ‘এল গ্রেমিয়া’ গ্যাংয়ের ২৮ সদস্যকে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে দুজনকে এক হাজার ৪৮ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় নিশ্চিত করেছে।

প্রেসিডেন্ট নাইব বেকেলের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশটিতে গ্যাং কালচার নির্মূলে ২০২২ সাল থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানের আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে অপরাধের হার কমলেও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বিচারহীনতা ও বিনা বিচারে আটকে রাখার অভিযোগ তুলে আসছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই কঠোর দমনপীড়নের মুখে পড়ে কারাগারে অনেক বন্দির মৃত্যু হয়েছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা ঘটেছে। তবে বেকেলে সরকার এই কঠোর অবস্থানকে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অপরিহার্য বলে দাবি করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠকের পরেই তেহরানের কৌশলগত পরিবর্তন, উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

এল সালভাদরে অপরাধী চক্রের সদস্যদের হাজার বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মাদক চোরাচালান, অর্থ পাচার ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে এল সালভাদরের একটি আদালত ‘এল গ্রেমিয়া’ গ্যাংয়ের ২৮ সদস্যকে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে দুজনকে এক হাজার ৪৮ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় নিশ্চিত করেছে।

প্রেসিডেন্ট নাইব বেকেলের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশটিতে গ্যাং কালচার নির্মূলে ২০২২ সাল থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানের আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে অপরাধের হার কমলেও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বিচারহীনতা ও বিনা বিচারে আটকে রাখার অভিযোগ তুলে আসছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই কঠোর দমনপীড়নের মুখে পড়ে কারাগারে অনেক বন্দির মৃত্যু হয়েছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা ঘটেছে। তবে বেকেলে সরকার এই কঠোর অবস্থানকে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অপরিহার্য বলে দাবি করছে।