ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের শঙ্কা: ইরাকে মার্কিন-সৌদি হামলায় প্রাণহানি, নুজাবার প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি

ইরাকের বিভিন্ন প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘হারাকাত হিজবুল্লাহ আল-নুজাবা’। বুধবার এক বিবৃতিতে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, এই প্রাণঘাতী হামলার পর অঞ্চলে মার্কিন ও সৌদি স্বার্থ মারাত্মক পরিণতির মুখোমুখি হবে।

নুজাবা গোষ্ঠীর এই সরাসরি হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এবং ওয়াশিংটন ও রিয়াদের ওপর পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে।

ইরাকের সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিয়া সশস্ত্র দলগুলোর জোট ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ (হাশদ আল-শাবি) নিশ্চিত করেছে যে, রাতভর চালানো এই হামলায় তাদের অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত এবং আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন।

সংস্থাটির তথ্যমতে, এই যৌথ হামলাটি ইরাকের সাতটি প্রদেশে একযোগে পরিচালিত হয়—যার মধ্যে রয়েছে রাজধানী বাগদাদ, বসরা, কারবালা, কির্কুক এবং নিনেভে। হামলায় তাদের বেশ কয়েকটি ভবন, সামরিক যানবাহন ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক আহ্বান করেছেন, যা ইঙ্গিত দেয় যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সামরিক সংঘাত এখন আরও জটিল ও বিপজ্জনক রূপ নিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শত্রুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের শঙ্কা: ইরাকে মার্কিন-সৌদি হামলায় প্রাণহানি, নুজাবার প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৮:০৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ইরাকের বিভিন্ন প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘হারাকাত হিজবুল্লাহ আল-নুজাবা’। বুধবার এক বিবৃতিতে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, এই প্রাণঘাতী হামলার পর অঞ্চলে মার্কিন ও সৌদি স্বার্থ মারাত্মক পরিণতির মুখোমুখি হবে।

নুজাবা গোষ্ঠীর এই সরাসরি হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া এবং ওয়াশিংটন ও রিয়াদের ওপর পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা প্রবল হয়ে উঠেছে।

ইরাকের সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিয়া সশস্ত্র দলগুলোর জোট ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ (হাশদ আল-শাবি) নিশ্চিত করেছে যে, রাতভর চালানো এই হামলায় তাদের অন্তত ২০ জন যোদ্ধা নিহত এবং আরও ৩২ জন আহত হয়েছেন।

সংস্থাটির তথ্যমতে, এই যৌথ হামলাটি ইরাকের সাতটি প্রদেশে একযোগে পরিচালিত হয়—যার মধ্যে রয়েছে রাজধানী বাগদাদ, বসরা, কারবালা, কির্কুক এবং নিনেভে। হামলায় তাদের বেশ কয়েকটি ভবন, সামরিক যানবাহন ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক আহ্বান করেছেন, যা ইঙ্গিত দেয় যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সামরিক সংঘাত এখন আরও জটিল ও বিপজ্জনক রূপ নিচ্ছে।