ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

চাঁদা দাবি ও মারধরের মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে

ভোলার চরফ্যাশনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়াকে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ জুলাই) ভোলা জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে এই নির্দেশ দেন।

গত ২১ মে চরফ্যাশন পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগ কর্মী মো. ছালাম বাদী হয়ে আলমগীর মালতিয়াসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, বসতঘরে তালা দেওয়া এবং মারধরের ঘটনায় চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন আলমগীর মালতিয়ার দুই ছেলে মো. আরাফাত হোসেন মালতিয়া এবং ফাহাদ হোসেন মালতিয়া।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া তার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় আসামিরা বাদীর বসতঘরে তালা দিয়ে তাকে মারধর করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী মো. ছালাম আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। বুধবার নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তবে, মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার বড় ছেলে ফাহাদ হোসেন মালতিয়া দাবি করেছেন, বিরোধপূর্ণ জমিগুলো তাদের দাদা ওহেদ আলী মালতিয়ার এবং বিগত সরকারের আমলে বাদীপক্ষ ক্ষমতার প্রভাবে তা দখলে নেয়। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তাদের মধ্যে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ইন্ধনে ওই যুবলীগ নেতা তার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গরু নিলাম ঘিরে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের হাতাহাতি, অভিযোগ দায়ের

চাঁদা দাবি ও মারধরের মামলায় বিএনপি নেতা কারাগারে

আপডেট সময় : ১০:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়াকে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ জুলাই) ভোলা জেলা দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে এই নির্দেশ দেন।

গত ২১ মে চরফ্যাশন পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগ কর্মী মো. ছালাম বাদী হয়ে আলমগীর মালতিয়াসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, বসতঘরে তালা দেওয়া এবং মারধরের ঘটনায় চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন আলমগীর মালতিয়ার দুই ছেলে মো. আরাফাত হোসেন মালতিয়া এবং ফাহাদ হোসেন মালতিয়া।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া তার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় আসামিরা বাদীর বসতঘরে তালা দিয়ে তাকে মারধর করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী মো. ছালাম আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। বুধবার নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তবে, মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়ার বড় ছেলে ফাহাদ হোসেন মালতিয়া দাবি করেছেন, বিরোধপূর্ণ জমিগুলো তাদের দাদা ওহেদ আলী মালতিয়ার এবং বিগত সরকারের আমলে বাদীপক্ষ ক্ষমতার প্রভাবে তা দখলে নেয়। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তাদের মধ্যে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ইন্ধনে ওই যুবলীগ নেতা তার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করেছেন।