ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বালু উত্তোলন নিয়ে সংঘর্ষ: ছাগলনাইয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচিকে ঘিরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বুধবার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে র‍্যাব ও পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেয়। দুপুরের পর থেকে জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পৌর সদরের জিরো পয়েন্ট, কলেজ রোড, ছাগলনাইয়া-ফেনী সড়ক ও ছাগলনাইয়া-শুভপুর সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থান নেন। তল্লাশির পাশাপাশি শহরজুড়ে নিরাপত্তা টহল জোরদার করা হয়। বিকেল ৫টার দিকে কলেজ রোড এলাকায় জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে আলমগীর সিদ্দিকী গ্রুপের কয়েকজন সমর্থক র‍্যাব ও পুলিশের বাধায় ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো. আবু তাহেরের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা নাদিম উদ্দিন ও তার এক সহযোগীর বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়, তবে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এর আগে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ঘোপাল ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আলমগীর সিদ্দিকী ও তার সমর্থকদের হামলায় উপজেলা বিএনপির নেতা রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার টিপু গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ ওঠে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার গাড়িচালক আদনান, হুমায়ুন, সোহেল ও ইমনও আহত হন। এ ঘটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ছাগলনাইয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন আহত রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার টিপু।

অন্যদিকে, একই দিনের ভোররাতে আলমগীর সিদ্দিকী গ্রুপের সদস্য হানিফ আহত হন। সিদ্দিকী গ্রুপ এ ঘটনার জন্য টিপু গ্রুপকে দায়ী করলেও উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো. আবু তাহের বলেন, দুই পক্ষের কর্মসূচি ও পাল্টা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালথায় প্যানেল চেয়ারম্যানের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল: তদন্তের নির্দেশ ইউএনও’র

বালু উত্তোলন নিয়ে সংঘর্ষ: ছাগলনাইয়ায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৬:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

ফেনীর ছাগলনাইয়ায় বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচিকে ঘিরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বুধবার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে র‍্যাব ও পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নেয়। দুপুরের পর থেকে জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পৌর সদরের জিরো পয়েন্ট, কলেজ রোড, ছাগলনাইয়া-ফেনী সড়ক ও ছাগলনাইয়া-শুভপুর সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থান নেন। তল্লাশির পাশাপাশি শহরজুড়ে নিরাপত্তা টহল জোরদার করা হয়। বিকেল ৫টার দিকে কলেজ রোড এলাকায় জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে আলমগীর সিদ্দিকী গ্রুপের কয়েকজন সমর্থক র‍্যাব ও পুলিশের বাধায় ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো. আবু তাহেরের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা নাদিম উদ্দিন ও তার এক সহযোগীর বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়, তবে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এর আগে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ঘোপাল ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আলমগীর সিদ্দিকী ও তার সমর্থকদের হামলায় উপজেলা বিএনপির নেতা রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার টিপু গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ ওঠে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার গাড়িচালক আদনান, হুমায়ুন, সোহেল ও ইমনও আহত হন। এ ঘটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ছাগলনাইয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন আহত রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার টিপু।

অন্যদিকে, একই দিনের ভোররাতে আলমগীর সিদ্দিকী গ্রুপের সদস্য হানিফ আহত হন। সিদ্দিকী গ্রুপ এ ঘটনার জন্য টিপু গ্রুপকে দায়ী করলেও উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো. আবু তাহের বলেন, দুই পক্ষের কর্মসূচি ও পাল্টা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।