রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের পথে রওনা হওয়া ন্যাশনাল কনভেনশন পার্টি (এনসিপি) নেতাদের বহর শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় পুলিশি বাধার মুখে পড়েছে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে যাত্রা শুরু করার পর হবিগঞ্জ সীমান্তের কাছাকাছি তাদের আটকে দেওয়া হয়।
এনসিপি আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা এই বহরে ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনসিপি নেতাদের প্রায় দশটি মাইক্রোবাসের বহরকে শতাধিক পুলিশ সদস্য মূল সড়কে অবস্থান নিয়ে আটকে দেন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এনসিপি নেতাদের হবিগঞ্জে প্রবেশে বাধা দেন, কারণ হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় বুধবার সকাল থেকে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তবে এনসিপি নেতারা পুলিশের বাধা তুলে নেওয়ার দাবি জানান এবং পুলিশের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।
এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরে তাদের পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা তাদের গাড়িবহরে অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন এবং সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। হামলার শিকার হয়ে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সোনালী ব্যাংকে আশ্রয় নিয়েছিলেন, পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।
এই ঘটনার জেরে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার প্রতিবাদে এনসিপি তাদের পূর্বঘোষিত মৌলভীবাজারের দুটি ‘জুলাই পদযাত্রা’ স্থগিত করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিল। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















