২০২৬ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, “পুলিশও হবেন, আবার দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেন—এটা হতে পারে না।” গত বুধবার হবিগঞ্জে একটি সমাবেশে যাওয়ার পথে পুলিশ সদস্যরা তাদের বাধা দিলে এনসিপি নেতার সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়, এ সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “নিরাপত্তার জন্য যারা হুমকি, আপনারা তাদেরকে না ধরে আমাদেরকে বাধা দিচ্ছেন।” পুলিশকে প্রশ্ন করে তিনি জানতে চান, “আপনি কোন আইনে আমাকে বাধা দিচ্ছেন?” তার এই মন্তব্য পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষ করে যখন দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত বিএনপি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।
জানা যায়, মঙ্গলবারের ‘জুলাই পদযাত্রা’য় হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে গত বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়। এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতা ও দলটির কর্মীরা হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন।
তবে, পথে পথে তাদের বাধা দেওয়া হয়। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, পুলিশি বাধার মুখে তারা হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কামাইছড়ায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মুষলধারে বৃষ্টি নামলেও এনসিপি নেতারা বৃষ্টিতে ভিজেই সেখানে অবস্থান করেন, যা তাদের প্রতিবাদের তীব্রতা প্রকাশ করে।
এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ’র এই মন্তব্য এবং এনসিপির কর্মসূচিতে পুলিশি বাধা দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 





















