ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

কাশ্মীরের পাঠাগারগুলোতে ভারত সরকারের চিরুনি অভিযান, ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ বই বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সব সরকারি পাঠাগার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকা বই এবং ডিজিটাল নথিপত্র একযোগে যাচাই-বাছাই বা অডিট করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ এবং ‘বিচ্ছিন্নতাবাদকে উসকে দেয়’ এমন বিতর্কিত বইগুলো শনাক্ত করে বাজেয়াপ্ত করার লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভারতের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার পরিপন্থী কোনো তথ্য বা সাহিত্য সংগ্রহে রাখা যাবে না। মূলত ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতার আপত্তির মুখে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি প্রকল্পের আওতায় বিতরণ করা কিছু বইয়ে ‘ভারত অধিকৃত কাশ্মীর’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভারতের অখণ্ডতার জন্য হুমকিস্বরূপ বলে মনে করছে প্রশাসন।

এই বিতর্কের জেরে ইতিমধ্যে স্কুল শিক্ষা বিভাগের আটজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন প্রশাসনিক প্রধান মনোজ সিনহা। একই সঙ্গে বিতর্কিত বইগুলোর প্রকাশনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় গবেষক ও শিক্ষাবিদরা এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের মতে, এর মাধ্যমে কাশ্মীরের ইতিহাস, মেধা ও একাডেমিক স্বাধীনতাকে খর্ব করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পরোয়ানা গায়েব: বিচারিক প্রক্রিয়ায় অনিয়ম নাকি ঘুষের লেনদেন?

কাশ্মীরের পাঠাগারগুলোতে ভারত সরকারের চিরুনি অভিযান, ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ বই বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০২:২৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের সব সরকারি পাঠাগার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকা বই এবং ডিজিটাল নথিপত্র একযোগে যাচাই-বাছাই বা অডিট করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ এবং ‘বিচ্ছিন্নতাবাদকে উসকে দেয়’ এমন বিতর্কিত বইগুলো শনাক্ত করে বাজেয়াপ্ত করার লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভারতের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার পরিপন্থী কোনো তথ্য বা সাহিত্য সংগ্রহে রাখা যাবে না। মূলত ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতার আপত্তির মুখে এই অভিযান শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি প্রকল্পের আওতায় বিতরণ করা কিছু বইয়ে ‘ভারত অধিকৃত কাশ্মীর’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভারতের অখণ্ডতার জন্য হুমকিস্বরূপ বলে মনে করছে প্রশাসন।

এই বিতর্কের জেরে ইতিমধ্যে স্কুল শিক্ষা বিভাগের আটজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন প্রশাসনিক প্রধান মনোজ সিনহা। একই সঙ্গে বিতর্কিত বইগুলোর প্রকাশনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় গবেষক ও শিক্ষাবিদরা এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের মতে, এর মাধ্যমে কাশ্মীরের ইতিহাস, মেধা ও একাডেমিক স্বাধীনতাকে খর্ব করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।