দেশের এবং ভারতের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিশেষ গোষ্ঠী পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে মনস্তাত্ত্বিক ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা আগামী ডিসেম্বরের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন প্রচারণায় নিয়োজিত। রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে তারা প্রচার করছে যে, একটি নির্দিষ্ট দিনে হাসিনা ও তার অনুসারীরা দেশজুড়ে মারাত্মক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।
এই আলোচনার মূলে রয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের একটি মন্তব্য। তিনি বলেছেন, ‘ভারত ও বাংলার একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। আমার তো মনে হচ্ছে না আমি বাংলাদেশে এসেছি। ভারতের ১৪০ কোটি আর বাংলাদেশের ২০ কোটি—এই ১৬০ কোটি জনগণের জন্য যা ভালো সেটাই করা হবে।’ রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ সমগ্র জাতি।
রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের সূত্র ধরে বা অন্য কোনো কারণে, শেখ হাসিনার আগমন নিয়ে যে গরম বাতাস ছাড়ার চেষ্টা হচ্ছে, তা রাজনৈতিক মহলেও আলোচিত হচ্ছে। একদিকে সীমান্তে পুশইনের অপচেষ্টা এবং অন্যদিকে বন্দি প্রত্যাবর্তন নিয়ে নানা ফন্দিফিকির চলছে। ভারতীয় মিডিয়াও বলছে, হাসিনা বন্দি নন এবং তিনি ইচ্ছেমতো চলাফেরা ও বৈঠক করতে পারেন। ভারত তাকে কীভাবে রাখবে, সেই সিদ্ধান্ত একান্তই তাদের।
গত ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে কেবল কূটনৈতিক সীমারেখায় দেখার সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পূর্বে বলেছিলেন, ভারতকে যা দেওয়ার ছিল, তাতে আর কিছু বাকি নেই। ভারতীয় দূতের বক্তব্যও একই ইঙ্গিত বহন করে। ১৬০ কোটি জনগণের হিসাবটি একটি সুচিন্তিত নীলনকশার অংশ বলে মনে হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 




















