চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ডের দাবিদার চেয়ারম্যান পুষ্টিবিদ মো. আলীম উদ্দিন লস্কর। তিনি অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ, ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন, আর্থিক অনিয়ম এবং বিশ্ববিদ্যালয় দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের শহীদ হাসান চত্বরে (মুক্তমঞ্চ) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় একটি রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতা-কর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় দ্য ফার্স্ট ক্যাপিটাল এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড এগ্রিকালচার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সদস্যরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। তবে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে আলীম উদ্দিন লস্কর দাবি করেন, ২০১১ সালে দ্য ফার্স্ট ক্যাপিটাল এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড এগ্রিকালচার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট গঠিত হয়। এই ট্রাস্টের মূল লক্ষ্য ছিল একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন ডিপ্লোমা কলেজ প্রতিষ্ঠা করা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন (চেয়ারম্যান), আলী ইকবাল জোয়ার্দার (ভাইস চেয়ারম্যান), অধ্যাপক আব্দুল মোতালেব (সেক্রেটারি), আলীম উদ্দিন লস্কর (ট্রেজারার) সহ আরও কয়েকজন সদস্য। এই ট্রাস্টের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পাঠানো হয়।
তিনি অভিযোগ করেন যে, ২০১৪ সালের শেষ দিকে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হলেও পরবর্তীতে সহকারী রেজিস্ট্রার নাফিউল ইসলাম জোয়ার্দার শান্ত এবং রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটনের পরামর্শে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের স্বাক্ষর স্ক্যান করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বেআইনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করা হয়। তিনি আরও দাবি করেন যে, প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টের নামে পরিচালিত ব্
রিপোর্টারের নাম 




















