ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের ২০ জুলাই সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠকে প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরো উন্নত ও সহজ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যেভাবেই হোক গ্রামের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে হবে। তাদের জন্য সন্তোষজনক চিকিৎসাসেবা ও পর্যাপ্ত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে গিয়ে যেন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সবাই সহজে চিকিৎসা পান এবং চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে না হয়। সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়ে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে আমাদের বিশ্লেষণ করতে হবে কেন এত দিনে এটি অর্জিত হয়নি এবং অর্জনের পথে প্রতিবন্ধকতাগুলো কী ছিল। আমাদের সরকারি গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা মূলত দুভাবে প্রদান করা হয়—মাঠকর্মী ও সেবাকেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর সমান্তরালভাবে এই সেবা প্রদান করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা হচ্ছেন স্বাস্থ্য সহকারী, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও স্বাস্থ্য পরিদর্শকদের সমন্বয়ে গঠিত দল। পক্ষান্তরে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা হচ্ছেন পরিবার কল্যাণ সহকারী ও পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকদের সমন্বয়ে গঠিত দল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাঠকর্মীরা টিকা প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য কর্মসূচির অগ্রসৈনিক। একইভাবে পরিবার পরিকল্পনার মাঠকর্মীরা ছোট পরিবার গঠনের লক্ষ্যে সচেতনতার সঙ্গে গর্ভনিরোধক দ্রব্যাদি প্রদান করেন। উভয় অধিদপ্তরের মাঠকর্মীদের স্বীকৃত পদের শূন্য সংখ্যা অনেক। এই পদগুলো জনসংখ্যাভিত্তিক। তাই জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা উপেক্ষিত হয়েছে বহু বছর। গ্রামের/প্রান্তিক মানুষের জন্য সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সহজপ্রাপ্য করতে হলে জনসংখ্যা অনুপাতে প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টিসহ সব পদে নিয়োগ ত্বরান্বিত করতে হবে। এসব মাঠকর্মীর মাঝে তাদের বেতন কাঠামো সম্পর্কে অসন্তোষ রয়েছে। আলাপ-আলোচনা করে এই অসন্তোষ দূর করার ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা হোঁচট খাবে।
সেবাকেন্দ্রের মাঝে সবচেয়ে নিচের স্তরে রয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক।
রিপোর্টারের নাম 





















