বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটে পাঁচ কোটি মানুষ ৮৪ দফা সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে যে রায় দিয়েছেন, তা যদি উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংসদ ও রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, এই গণভোট জনগণের সরাসরি রায়ের প্রতীক, যা যেকোনো সংসদীয় আইনের চেয়েও শক্তিশালী।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) বিকেলে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমিতে দিনাজপুর জেলা ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোট: জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকারের দায় ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার ও সংসদ গঠিত হলেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা ছিল বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু গত পাঁচ মাসে দলীয়করণ, দুর্নীতি, অর্থপাচার ও ভিন্নমতের ওপর নিপীড়ন যেভাবে ফিরে আসছে, তাতে প্রশ্ন জাগে আমরা কি আবারও সেই পুরোনো অন্ধকারে ফিরে যাচ্ছি?
তিনি আরও বলেন, যে দলীয়করণ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে রক্ত দিয়ে, হাজারো মানুষ জীবন দিয়ে এবং আহত হয়ে আন্দোলন করা হয়েছে, সেই একই সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না। সুতরাং গণভোটে দেওয়া জনগণের রায় বাস্তবায়ন করতেই হবে।
দিনাজপুর জেলা আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি, রংপুর জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানী এমপি এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ড. এনামুল হক।
রিপোর্টারের নাম 

























