জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশের ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটের পক্ষে রায় দিলেও জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশের মত নিয়ে সেটি বাতিল করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘গণভোট যদি অবৈধ হয়, তাহলে অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সংসদও অবৈধ।’ জনগণের সঙ্গে তালবাহানা না করে অতিদ্রুত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে সিরাজগঞ্জ শহরের পৌর ভাসানী মিলনায়তনে সিরাজগঞ্জ শহর জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের নিয়ে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত প্রত্যেক পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দিতে হবে। ৩০ থেকে ৩৫ হাজার আহত যোদ্ধার সুচিকিৎসার কার্যকর ব্যবস্থা এবং যারা আয় করতে অক্ষম হয়েছেন, প্রতিটি পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। যাদের রায় হয়েছে, শেখ হাসিনাসহ সবাইকে দেশে এনে রায় কার্যকর করতে হবে। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত আমাদের যুদ্ধ চলতে থাকবে।
গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন শোনা যায় কেউ লন্ডন থেকে মাস্টারমাইন্ড, কেউ শিলং থেকে মাস্টারমাইন্ড। তাদের এই কথা শুনলে ঘোড়ায়ও হাসে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বিরোধীদলের নেতাদের ঢাকায় ডাকা হয়েছিল এবং সেদিন বেগম খালেদা জিয়া বালুর ট্রাকের সামনে তার কাজের মেয়ে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেদিন বেগম খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুল ছাড়া সবার ফোন বন্ধ ছিল, আর আজকে অনেকে মাস্টারমাইন্ড হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ শহর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শাহীনুর আলম, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা নাসির উদ্দীন ও অধ্যাপক শহীদুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 

























