যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াকে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদের যে খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তাকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। এএফএ কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোও একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন বলে প্রচারিত সংবাদটি অসত্য বলে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদটিতে বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর জাতীয় দলের সঙ্গে দেশে ফেরার পথে নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এএফএ সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষকে আটক করে। এএফএর আন্তর্জাতিক চুক্তি সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে তাদের ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির হওয়ার সমন জারি করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
তবে একটি বিবৃতির মাধ্যমে এএফএ এই গুঞ্জনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা স্পষ্ট করে বলেছে যে, সংবাদটি পুরোপুরি অসত্য। যদিও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি, এএফএ পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করেছে।
এএফএর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ফ্লোরিডার ডিস্ট্রিক্ট আদালত প্রকৃতপক্ষে ‘তৃতীয় একটি পক্ষকে’ লক্ষ্য করে সমন জারি করেছে। ওই সমনে ফুটবল ফেডারেশনের কিছু কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য ও সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা সরাসরি সভাপতিকে আটকের বিষয় নয়।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে এএফএর দায়িত্বে থাকা ক্লদিও তাপিয়া নিজ দেশেও অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির মতো একাধিক তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। পাশাপাশি ক্লাব বেসরকারীকরণ ইস্যুতে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই প্রশাসনের সঙ্গেও তার দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে তাদের আটক বা জিজ্ঞাসাবাদের খবরটি নিছক গুজব, তা নিশ্চিত করেছে ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
রিপোর্টারের নাম 




















