ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

২০২৬ বিশ্বকাপ: ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিল ফিফা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পুরো আসরজুড়ে কঠোর নজরদারির পরও কোনো ম্যাচে সন্দেহজনক বেটিং বা ম্যাচ পাতানোর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফিফার তথ্য অনুযায়ী, এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘের কার্যালয় অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (UNODC) এবং আন্তর্জাতিক বেটিং পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ‘ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স’ বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া বেটিং ডেটা, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্লেষণের পর তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, কোনো ম্যাচে কারসাজির প্রমাণ নেই। ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে সংগৃহীত ও বিশ্লেষণ করা তথ্যের ভিত্তিতে ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স নিশ্চিত করেছে যে, কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বেটিং বা ম্যাচ ম্যানিপুলেশনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”

তবে, পুরো বিশ্বকাপে রেফারিং নিয়ে একাধিক বিতর্ক দেখা দেয়। বিশেষ করে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ওই ম্যাচের রেফারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। এক বিবৃতিতে তারা ম্যাচ পরিচালনায় গুরুতর ভুলের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট রেফারি ও পুরো অফিশিয়েটিং টিমকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানায়। মিশরের কোচ হোসাম হাসানও ম্যাচ চলাকালে সাইডলাইনে বিতর্কিত অঙ্গভঙ্গি করেন এবং পরে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন যে, ফিফা নাকি লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টে ধরে রাখতে চেয়েছিল। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

যদিও ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কোলিনা এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সমালোচনা করেন। ফিফার সিনিয়র ইন্টিগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ বলেন, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও সম্ভাব্য ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করার ক্ষেত্রে ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে। তার ভাষ্য, ভবিষ্যতেও ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোতে একই ধরনের সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা চালু থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদ সদস্য গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করলো জামায়াত, স্পিকার-ইসিকে চিঠি

২০২৬ বিশ্বকাপ: ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিল ফিফা

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পুরো আসরজুড়ে কঠোর নজরদারির পরও কোনো ম্যাচে সন্দেহজনক বেটিং বা ম্যাচ পাতানোর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফিফার তথ্য অনুযায়ী, এফবিআই, ইন্টারপোল, জাতিসংঘের কার্যালয় অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (UNODC) এবং আন্তর্জাতিক বেটিং পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ‘ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স’ বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া বেটিং ডেটা, গোয়েন্দা তথ্য ও বিশ্লেষণের পর তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, কোনো ম্যাচে কারসাজির প্রমাণ নেই। ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে সংগৃহীত ও বিশ্লেষণ করা তথ্যের ভিত্তিতে ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স নিশ্চিত করেছে যে, কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বেটিং বা ম্যাচ ম্যানিপুলেশনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”

তবে, পুরো বিশ্বকাপে রেফারিং নিয়ে একাধিক বিতর্ক দেখা দেয়। বিশেষ করে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ওই ম্যাচের রেফারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। এক বিবৃতিতে তারা ম্যাচ পরিচালনায় গুরুতর ভুলের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট রেফারি ও পুরো অফিশিয়েটিং টিমকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানায়। মিশরের কোচ হোসাম হাসানও ম্যাচ চলাকালে সাইডলাইনে বিতর্কিত অঙ্গভঙ্গি করেন এবং পরে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন যে, ফিফা নাকি লিওনেল মেসিকে টুর্নামেন্টে ধরে রাখতে চেয়েছিল। তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

যদিও ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজি কোলিনা এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে ম্যাচ কর্মকর্তাদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সমালোচনা করেন। ফিফার সিনিয়র ইন্টিগ্রিটি ম্যানেজার লিয়াম রিচ বলেন, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও সম্ভাব্য ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করার ক্ষেত্রে ইন্টিগ্রিটি টাস্ক ফোর্স অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে। তার ভাষ্য, ভবিষ্যতেও ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোতে একই ধরনের সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা চালু থাকবে।