ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা: বিচ্ছিন্ন কব্জি, বুক-মাথায় গুরুতর আঘাত

রাজধানীর সবুজবাগে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো. পলাশ (৩৪) নামে ওয়ার্ড বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সবুজবাগ থানাধীন রাজারবাগ বাজার এলাকার পানির পাম্প সংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত পলাশ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে সবুজবাগের মাদারটেক এলাকায় বসবাস করছিলেন। পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক হলেও গত কিছুদিন ধরে তিনি সেই কাজ বন্ধ রেখেছিলেন। তিনি বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী হীরা জানান, ঘটনার সময় পলাশ রাজারবাগ বাজারের একটি মুদি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় রয়েল, সবুজ ও নাঈমসহ একদল দুর্বৃত্ত এসে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পলাশের দুই হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং বুক ও মাথায় গুরুতর জখম করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত পলাশের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবুজবাগ থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ১১ চালককে জরিমানা

রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা: বিচ্ছিন্ন কব্জি, বুক-মাথায় গুরুতর আঘাত

আপডেট সময় : ১০:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর সবুজবাগে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো. পলাশ (৩৪) নামে ওয়ার্ড বিএনপির এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে সবুজবাগ থানাধীন রাজারবাগ বাজার এলাকার পানির পাম্প সংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত পলাশ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে সবুজবাগের মাদারটেক এলাকায় বসবাস করছিলেন। পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক হলেও গত কিছুদিন ধরে তিনি সেই কাজ বন্ধ রেখেছিলেন। তিনি বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী হীরা জানান, ঘটনার সময় পলাশ রাজারবাগ বাজারের একটি মুদি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় রয়েল, সবুজ ও নাঈমসহ একদল দুর্বৃত্ত এসে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পলাশের দুই হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং বুক ও মাথায় গুরুতর জখম করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহত পলাশের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবুজবাগ থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে।