ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জুলাইয়ের স্মৃতি: কোটা সংস্কার আন্দোলন ও ‘শেখ হাসিনা পালায় না’ দম্ভোক্তির সেই দিন

২০২৪ সালের জুলাই মাসের এই দিনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ‘শেখ হাসিনা পালায় না’ বলে আলোচিত সেই দম্ভোক্তি করেছিলেন। কোটা সংস্কার আন্দোলন যখন তীব্র রূপ নিচ্ছিল, তখন ব্যবসায়ী সমাজ তাকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিল। একই দিনে আদালতের নির্দেশে সরকারি চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধা এবং ৭ শতাংশ কোটা রেখে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন। তৎকালীন সরকার আন্দোলন দমনে সারাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। সেই সময় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে অসংখ্য ছাত্র-জনতা হতাহত হন। রক্তাক্ত রাজপথ আর স্বজনদের আহাজারিতে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ইতিহাসের এই দিনে গুমের শিকার হওয়া আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। সরকারি বাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের পর তাকে পূর্বাচল এলাকায় ফেলে যাওয়া হয়। জুলাইয়ের এই দিনগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক রক্তক্ষয়ী এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ ফুটবল দলের রাজকীয় সংবর্ধনা: মাদ্রিদের রাজপথে লাখো মানুষের উল্লাস

জুলাইয়ের স্মৃতি: কোটা সংস্কার আন্দোলন ও ‘শেখ হাসিনা পালায় না’ দম্ভোক্তির সেই দিন

আপডেট সময় : ১০:২৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই মাসের এই দিনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ‘শেখ হাসিনা পালায় না’ বলে আলোচিত সেই দম্ভোক্তি করেছিলেন। কোটা সংস্কার আন্দোলন যখন তীব্র রূপ নিচ্ছিল, তখন ব্যবসায়ী সমাজ তাকে অকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিল। একই দিনে আদালতের নির্দেশে সরকারি চাকরিতে ৯৩ শতাংশ মেধা এবং ৭ শতাংশ কোটা রেখে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন। তৎকালীন সরকার আন্দোলন দমনে সারাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। সেই সময় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে অসংখ্য ছাত্র-জনতা হতাহত হন। রক্তাক্ত রাজপথ আর স্বজনদের আহাজারিতে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ইতিহাসের এই দিনে গুমের শিকার হওয়া আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। সরকারি বাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের পর তাকে পূর্বাচল এলাকায় ফেলে যাওয়া হয়। জুলাইয়ের এই দিনগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক রক্তক্ষয়ী এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।