ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী হাসান মাহমুদ শুভ এখনো জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের ভয়াবহ স্মৃতি ও শারীরিক যন্ত্রণার সাক্ষী। গত ২৭ জুলাই ঢাকা কলেজের সামনে থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং নির্যাতনের ফলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। এখনো তিনি পায়ের ব্যথায় কাতরাচ্ছেন।
গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ে রাজপথে আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকা শুভ, তার সক্রিয় অংশগ্রহণ, আন্দোলনকালীন অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান প্রজন্মের প্রতি তার প্রত্যাশা নিয়ে সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন। তিনি জানান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব থাকা তার কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য ছিল না। যখন তিনি দেখেছেন যে মানুষের ন্যায্য দাবির জবাব গুলি, নির্যাতন এবং হত্যার মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে, তখন তিনি ঘরে বসে থাকতে পারেননি। জুলাই মাসের শুরু থেকেই তিনি রাজপথে নিয়মিত আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পাশাপাশি জনমত গঠনে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি করেন।
আন্দোলনের সবচেয়ে কঠিন অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে শুভ স্মরণ করেন, ১৯ জুলাই উত্তরা বিএনএস সেন্টার এলাকায় কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে তিনি আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। সেদিনের ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তার চোখের সামনেই কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েছিলেন। উপর থেকে গুলি বর্ষণ করা হচ্ছিল এবং সেই মুহূর্তে বেঁচে ফেরা অসম্ভব মনে হয়েছিল। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় তিনি সেই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পান।
রিপোর্টারের নাম 






















