রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত এক যুবকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মারধরের কারণে মৃত্যুর অভিযোগ তোলা হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে প্রায় ২২ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই ওই যুবকের লাশ দাফন করতে বাধ্য হয়েছেন স্বজনরা। মৃত যুবকের নাম শাওন আলী (২৫), তিনি পেশায় একজন নির্মাণশ্রমিক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের মারধরের শিকার হন শাওন। এ ঘটনায় শাওনের স্ত্রী থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শাওনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। তবে হাসপাতালের মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘ডেঙ্গু’ ও ‘রক্তে সংক্রমণ’ উল্লেখ করা হয়।
হাসপাতালের রিপোর্টের বরাত দিয়ে পুলিশ ময়নাতদন্ত করতে অনীহা প্রকাশ করলে এলাকায় ও পরিবারে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের দাবি, মারধরের কারণেই শাওনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল এবং সেটিই তার মৃত্যুর মূল কারণ। শেষ পর্যন্ত পুলিশি সহায়তা না পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রামের কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এলাকাবাসী এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 























