ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

নিথর রাব্বির লাশের অপেক্ষায় তিন দিন, জানাজাতেও ছিল পুলিশের বাধা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারানো শিক্ষার্থী আকরাম খান রাব্বির শোকাতুর পরিবারের আর্তনাদ থামছে না। গত ১৯ জুলাই রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন ক্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী। মিছিলে থাকা অবস্থায় পুলিশের ছোড়া গুলি তার বুক ও পেটে বিদ্ধ হয়। এর তিন দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। এমনকি তার জানাজাতেও পুলিশ বাধা দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।

নিহত রাব্বি পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়ের একটি শোরুমে কাজ করতেন। অর্জিত আয়ের একটি অংশ তিনি খরচ করতেন আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীদের খাবারের পেছনে। রাব্বির বাবা ফারুক খান জানান, দেশপ্রেমের অদম্য স্পৃহা থেকেই তার ছেলে রাজপথে নেমেছিল। কিন্তু এক মুহূর্তের গুলিতে একটি পরিবারের সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।

ঘটনার দিন জুমার নামাজ পড়ে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মায়ের কাছে শেষ বিদায় নিয়েছিলেন রাব্বি। বিকেলে মিরপুর-১১-এর একটি হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে চিকিৎসা না পাওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ছাত্র-জনতার এই ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া নতুন বাংলাদেশে রাব্বির মতো শহীদদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করেন তার স্বজনরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ ফুটবল দলের রাজকীয় সংবর্ধনা: মাদ্রিদের রাজপথে লাখো মানুষের উল্লাস

নিথর রাব্বির লাশের অপেক্ষায় তিন দিন, জানাজাতেও ছিল পুলিশের বাধা

আপডেট সময় : ১০:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারানো শিক্ষার্থী আকরাম খান রাব্বির শোকাতুর পরিবারের আর্তনাদ থামছে না। গত ১৯ জুলাই রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন ক্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী। মিছিলে থাকা অবস্থায় পুলিশের ছোড়া গুলি তার বুক ও পেটে বিদ্ধ হয়। এর তিন দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। এমনকি তার জানাজাতেও পুলিশ বাধা দিয়েছিল বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।

নিহত রাব্বি পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়ের একটি শোরুমে কাজ করতেন। অর্জিত আয়ের একটি অংশ তিনি খরচ করতেন আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীদের খাবারের পেছনে। রাব্বির বাবা ফারুক খান জানান, দেশপ্রেমের অদম্য স্পৃহা থেকেই তার ছেলে রাজপথে নেমেছিল। কিন্তু এক মুহূর্তের গুলিতে একটি পরিবারের সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।

ঘটনার দিন জুমার নামাজ পড়ে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মায়ের কাছে শেষ বিদায় নিয়েছিলেন রাব্বি। বিকেলে মিরপুর-১১-এর একটি হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে চিকিৎসা না পাওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ছাত্র-জনতার এই ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া নতুন বাংলাদেশে রাব্বির মতো শহীদদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করেন তার স্বজনরা।