২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। দেড় সহস্রাধিক তরুণের আত্মদান এবং অগণিত মানুষের পঙ্গুত্বের বিনিময়ে অর্জিত এই বিপ্লব কেবল ক্ষমতার পালাবদল ছিল না, বরং ছিল রাষ্ট্র সংস্কারের এক দৃঢ় অঙ্গীকার। ইতিহাসের পরিক্রমায় দেখা গেছে, স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটানো যতটা কঠিন, বিপ্লব-পরবর্তী শূন্যতা পূরণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করা তার চেয়েও বেশি চ্যালেঞ্জিং।
অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তিতে আজ প্রশ্ন উঠেছে, যে লক্ষ্য নিয়ে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমেছিল, তার কতটা অর্জিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আমূল সংস্কার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করে একটি মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার যে স্বপ্ন সাধারণ মানুষ দেখেছিল, তা বাস্তবায়নে এখনো বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। রাজনৈতিক উত্তাপের এই সময়ে জনআকাঙ্ক্ষা ধারণ করে টেকসই সংস্কার সাধনই এখন প্রধান অগ্নিপরীক্ষা।
রিপোর্টারের নাম 





















