ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

নিরাপত্তাহীনতা কাটাতে কুতুবদিয়া হাসপাতালে আনসার সদস্য মোতায়েন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা নিশ্চিত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, বহিঃবিভাগ এবং অন্তর্বিভাগে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ইনডোরে চিকিৎসাধীন রোগীর ওপর হামলা এবং জরুরি বিভাগে হাতাহাতির মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এসব পরিস্থিতিতে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। আনসার মোতায়েনের ফলে বর্তমানে হাসপাতালের শৃঙ্খলায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালে শয্যা ও ভবন সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা। বর্তমানে ৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে নতুন একটি ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আনসার সদস্যরা মোতায়েন হওয়ায় এখন রোগীরা আরও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ ফুটবল দলের রাজকীয় সংবর্ধনা: মাদ্রিদের রাজপথে লাখো মানুষের উল্লাস

নিরাপত্তাহীনতা কাটাতে কুতুবদিয়া হাসপাতালে আনসার সদস্য মোতায়েন

আপডেট সময় : ১০:২৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা নিশ্চিত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, বহিঃবিভাগ এবং অন্তর্বিভাগে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ইনডোরে চিকিৎসাধীন রোগীর ওপর হামলা এবং জরুরি বিভাগে হাতাহাতির মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এসব পরিস্থিতিতে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। আনসার মোতায়েনের ফলে বর্তমানে হাসপাতালের শৃঙ্খলায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, হাসপাতালে শয্যা ও ভবন সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা। বর্তমানে ৫০ শয্যার হাসপাতালে রোগীর অতিরিক্ত চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে নতুন একটি ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আনসার সদস্যরা মোতায়েন হওয়ায় এখন রোগীরা আরও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।