শরীরের ওজন কমানোর জন্য কোনো বিশেষ চেষ্টা বা ব্যায়াম না করা সত্ত্বেও যদি হঠাৎ করে ওজন কমতে শুরু করে, তবে তা বড় কোনো শারীরিক সমস্যার আগাম সতর্কবার্তা হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসের মধ্যেও যদি ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে শরীরের মোট ওজনের ৫ শতাংশ বা তার বেশি কমে যায়, তবে বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া উচিত। অকারণে এমন ওজন হ্রাস বিভিন্ন জটিল রোগের প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে কাজ করে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির একটি অন্যতম লক্ষণ হলো শরীরের ওজন দ্রুত কমে যাওয়া। বিশেষ করে ফুসফুস, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয় এবং কোলন ক্যানসারের ক্ষেত্রে এই উপসর্গটি বেশি দেখা দেয়। এর বাইরে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস বা টাইপ-১ ডায়াবেটিসের কারণেও শরীরের চর্বি ও পেশি ক্ষয় হতে শুরু করে, যার ফলে ওজন কমে যায়। থাইরয়েড গ্রন্থির অতিসক্রিয়তা বা হাইপারথাইরয়েডিজম থাকলেও বিপাকক্রিয়া বেড়ে গিয়ে শরীর দ্রুত শুকিয়ে যেতে পারে।
শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতিও ওজন কমার জন্য দায়ী হতে পারে। বিষণ্নতা, তীব্র দুশ্চিন্তা কিংবা খাওয়ার প্রতি অনীহা তৈরি হলে শরীর দ্রুত ভেঙে পড়ে। এছাড়া যক্ষ্মা, দীর্ঘমেয়াদী পেটের সমস্যা বা পুষ্টি শোষণে ব্যর্থতার ফলেও এমনটি হতে পারে। তাই ওজন কমার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের জ্বর, ক্লান্তি কিংবা ক্ষুধামন্দা দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
রিপোর্টারের নাম 

























