যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক হামলা ও কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি চললেও ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদন কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরানের দাবি, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখনো তাদের মূল ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেখারচি সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান।
মুখপাত্র শেখারচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনার প্রতিটি পর্যায়ে ইরান তার সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করেছে। এমনকি বিভিন্ন সমঝোতা চলাকালেও ক্ষেপণাস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন তৈরির কাজ থেমে থাকেনি। বর্তমানে উৎপাদিত অস্ত্রগুলো সরাসরি অপারেশনাল ইউনিটে পাঠানো হচ্ছে এবং একই সঙ্গে সামরিক মজুতও বাড়ানো হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, ওয়াশিংটন তাদের ব্যাপক প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ব্যবহার করেও ইরানের গোপন সামরিক স্থাপনাগুলোর হদিস পেতে ব্যর্থ হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর এক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের আমল থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক চাপ সত্ত্বেও ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের প্রায় ৭০ শতাংশ এখনো অক্ষত রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে ইরানের তৈরি স্বল্প খরচের ড্রোনগুলো মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ এগুলো প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















