দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার পাশাপাশি এর ধরনেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে প্রথাগত উপসর্গের পরিবর্তে মৃদু জ্বরের মতো ছদ্মবেশী লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ার অন্যতম কারণ হলো সাইটোকাইন স্টর্ম এবং প্লাজমা লিকেজ, যা রোগীকে শকের দিকে ঠেলে দেয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকলে ডেঙ্গুর এই মরণঘাতী ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, ভিটামিন ডি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ডেঙ্গু ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি রোধে সহায়তা করে এবং কোষ থেকে অতিরিক্ত সাইটোকাইন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। ফলে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বা শক সিনড্রোমের ঝুঁকি কমে আসে। গবেষণায় দেখা গেছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত যেসব রোগীকে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ডি দেওয়া হয়েছে, তাদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি ঘটেছে।
ভিটামিন ডি-এর প্রধান উৎস হলো সূর্যের আলো। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট সরাসরি ত্বকে রোদ লাগালে শরীরের চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ ভিটামিন ডি পূরণ হয়। এছাড়া সামুদ্রিক মাছ, দুধ ও ডিম থেকেও কিছু পরিমাণ ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। দেশের একটি বড় অংশ ভিটামিন ডি স্বল্পতায় ভোগায়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এই ভিটামিনের পর্যাপ্ত জোগান নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
রিপোর্টারের নাম 

























