ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

রামগঞ্জে সরকারি খাস পুকুর দখল করে ভবন নির্মাণ, প্রশাসনের নির্দেশও মানছে না প্রভাবশালীরা

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নে একটি সরকারি খাস পুকুর দখল করে অবৈধভাবে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহলের বিরুদ্ধে। দল্টা বাজারে অবস্থিত জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন এই পুকুরটির পানি সেঁচে জবরদখল প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। যদিও উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে, কিন্তু তা উপেক্ষা করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে দখলদাররা। এ নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, দল্টা বাজারে সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত দুটি পুকুর রয়েছে যা প্রতি বছর লিজ দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিগত রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুকুর দুটির পাড় দখল করে আগেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি পুকুরের মূল অংশ ভরাট করে ইমারত নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। লিজ গ্রহীতারা জানিয়েছেন, চারপাশ দখলের ফলে এখন পুকুরে যাতায়াতের কোনো পথও অবশিষ্ট নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিকুর রহমান জানান, সরকারি সম্পত্তি বা পুকুর দখলের কোনো আইনগত সুযোগ নেই। তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাদের দাবি, দখলদাররা বেশ প্রভাবশালী ও মারমুখী হওয়ায় সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না। সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা প্রত্যাশা করছে এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ ফুটবল দলের রাজকীয় সংবর্ধনা: মাদ্রিদের রাজপথে লাখো মানুষের উল্লাস

রামগঞ্জে সরকারি খাস পুকুর দখল করে ভবন নির্মাণ, প্রশাসনের নির্দেশও মানছে না প্রভাবশালীরা

আপডেট সময় : ১০:২০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নে একটি সরকারি খাস পুকুর দখল করে অবৈধভাবে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহলের বিরুদ্ধে। দল্টা বাজারে অবস্থিত জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন এই পুকুরটির পানি সেঁচে জবরদখল প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। যদিও উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে, কিন্তু তা উপেক্ষা করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে দখলদাররা। এ নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, দল্টা বাজারে সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত দুটি পুকুর রয়েছে যা প্রতি বছর লিজ দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিগত রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুকুর দুটির পাড় দখল করে আগেই বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি পুকুরের মূল অংশ ভরাট করে ইমারত নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। লিজ গ্রহীতারা জানিয়েছেন, চারপাশ দখলের ফলে এখন পুকুরে যাতায়াতের কোনো পথও অবশিষ্ট নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিকুর রহমান জানান, সরকারি সম্পত্তি বা পুকুর দখলের কোনো আইনগত সুযোগ নেই। তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন এবং দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাদের দাবি, দখলদাররা বেশ প্রভাবশালী ও মারমুখী হওয়ায় সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না। সরকারি সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা প্রত্যাশা করছে এলাকাবাসী।