ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

অবৈধ সম্পদ অর্জন: টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ৭ বছরের কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে টেকনাফ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪৮ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে জাফর আহমদ ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন। এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৬ সালে তার বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জাফর আহমদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোছাইন জানান, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যের মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি শুনে এই রায় প্রদান করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ ফুটবল দলের রাজকীয় সংবর্ধনা: মাদ্রিদের রাজপথে লাখো মানুষের উল্লাস

অবৈধ সম্পদ অর্জন: টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ৭ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১০:১৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে টেকনাফ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪৮ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে জাফর আহমদ ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন। এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৬ সালে তার বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জাফর আহমদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোছাইন জানান, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যের মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি শুনে এই রায় প্রদান করেন।