ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমান নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
বুধবার সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার সচিব, আইন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান। শুনানি শেষে তারা জানান, দেশের তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে জনপ্রতিনিধিদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণ করা জরুরি। বর্তমান আইনে শিক্ষাগত যোগ্যতার সুনির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা না থাকায় যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনে আইনি জটিলতা তৈরি হচ্ছে, যা নিরসনেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























