বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় আগামী ২০২৭ সালের হজ পালনের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। এর মধ্যে সাশ্রয়ী প্যাকেজ-৩ এ সর্বনিম্ন খরচ ধরা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।
অন্যদিকে, উন্নত সুবিধার বিশেষ প্যাকেজ (প্যাকেজ-১) এর খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা। সাধারণ প্যাকেজের (প্যাকেজ-২) মাধ্যমে হজ পালনে ব্যয় হবে ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫৮০ টাকা। এছাড়া, এজেন্সিগুলো হজযাত্রীর চাহিদা অনুযায়ী আরও একটি অতিরিক্ত বিশেষ প্যাকেজ নির্ধারণ করতে পারবে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে একটি হোটেলে হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সারওয়ার এই হজ প্যাকেজগুলো ঘোষণা করেন। এ সময় হাব মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। প্রতি সৌদি রিয়াল ৩৩ টাকা ২০ পয়সা ধরে প্যাকেজগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। পরে সৌদি রিয়ালের বিনিময় হারে কোনো পরিবর্তন এলে তা প্যাকেজ মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে বলেও জানিয়েছেন হাব সভাপতি।
চলতি বছর বেসরকারিভাবে হজ পালনেও তিনটি প্যাকেজ ছিল, যার মধ্যে বিশেষ প্যাকেজে খরচ হয়েছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ছিল ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা।
গোলাম সারওয়ার বলেন, সৌদি পর্বের চূড়ান্ত ব্যয়ের হিসাব না পাওয়ায় বিগত বছরের ব্যয়ের ধারাবাহিকতায় সম্ভাব্য খরচ হিসাব করে হজ প্যাকেজ প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রাজকীয় সৌদি সরকারের কোনো খাতে খরচ বাড়লে বা কমলে তা প্যাকেজ মূল্য হিসেবে গণ্য হবে এবং অতিরিক্ত অর্থ হজযাত্রীকে পরিশোধ করতে হবে। এ বছর কোরবানির অর্থ নুসুক মাসার প্ল্যাটফর্মে পরিশোধ বাধ্যতামূলক হওয়ায় বেসরকারি মাধ্যমের প্যাকেজে কোরবানির অর্থ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সকল প্যাকেজেই খাবারও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ‘হজ প্যাকেজ-১ (বিশেষ)’-এর সুবিধাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মক্কায় হারাম শরীফের বহিঃচত্বর থেকে হোটেলের দূরত্ব ৬০০ মিটারের মধ্যে উন্নত মানের হোটেল এবং মদিনায় মারকাজিয়া এলাকায় ৩০০ মিটারের মধ্যে হোটেল সুবিধা।
রিপোর্টারের নাম 

























