ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন: টেকনাফের সাবেক চেয়ারম্যানের ৭ বছরের কারাদণ্ড, কোটি টাকার জরিমানা

টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদকে সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪৮ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার সকালে চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত জাফর আহমদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত ৫ মে ২০২৬ তারিখে একই আদালত জাফর আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন। এছাড়াও, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছিলেন তিনি। এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেছিল।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোছাইন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনার পর আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। পরবর্তীতে তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অধিক জরিমানা করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামে পাউবোর বাঁধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন: টেকনাফের সাবেক চেয়ারম্যানের ৭ বছরের কারাদণ্ড, কোটি টাকার জরিমানা

আপডেট সময় : ০১:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

টেকনাফের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদকে সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৮ কোটি ৫৯ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪৮ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার সকালে চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত জাফর আহমদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, এর আগে গত ৫ মে ২০২৬ তারিখে একই আদালত জাফর আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন। এছাড়াও, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছিলেন তিনি। এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেছিল।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোছাইন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনার পর আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। পরবর্তীতে তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অধিক জরিমানা করা হয়।