ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

দায়িত্বকে ইবাদত মনে করে পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিস স্টাফদের নিয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আল-ফালাহ মিলনায়তনে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি আদর্শভিত্তিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় অফিস কেবল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার স্থান নয়; বরং এটি সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, সেবা ও দায়িত্বশীলতার প্রতিচ্ছবি।

তিনি প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা ও আমানতদারিতার সর্বোচ্চ পরিচয় দিতে আহ্বান জানান। জামায়াত আমির জোর দিয়ে বলেন, দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে হবে।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, অফিসের প্রতিটি দায়িত্বকে ইবাদতের মানসিকতা নিয়ে পালন করতে হবে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সমাজ—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তিনি উপস্থিত সবাইকে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি, চরিত্র গঠন এবং সেবার মান উন্নয়নে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় অফিস কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মা’ছুমের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সাত্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

কর্মশালার শুরুতে সভাপতির উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন মাওলানা এটিএম মা’ছুম। এরপর দারসুল কোরআন পেশ করেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং মো. আব্দুর রব।

এই কর্মশালায় কেন্দ্রীয় অফিসের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। এতে অফিস ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন, দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবার গুণগত মান উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন বক্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিত্যক্ত লাইফবোটে কোটি টাকার ব্যবসা: সীতাকুণ্ডে জাহাজ ভাঙা শিল্পের নতুন দিগন্ত

দায়িত্বকে ইবাদত মনে করে পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

আপডেট সময় : ০১:৫৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিস স্টাফদের নিয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আল-ফালাহ মিলনায়তনে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি আদর্শভিত্তিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় অফিস কেবল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার স্থান নয়; বরং এটি সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, সেবা ও দায়িত্বশীলতার প্রতিচ্ছবি।

তিনি প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা ও আমানতদারিতার সর্বোচ্চ পরিচয় দিতে আহ্বান জানান। জামায়াত আমির জোর দিয়ে বলেন, দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে হবে।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, অফিসের প্রতিটি দায়িত্বকে ইবাদতের মানসিকতা নিয়ে পালন করতে হবে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সমাজ—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তিনি উপস্থিত সবাইকে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি, চরিত্র গঠন এবং সেবার মান উন্নয়নে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় অফিস কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মা’ছুমের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সাত্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

কর্মশালার শুরুতে সভাপতির উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন মাওলানা এটিএম মা’ছুম। এরপর দারসুল কোরআন পেশ করেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং মো. আব্দুর রব।

এই কর্মশালায় কেন্দ্রীয় অফিসের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। এতে অফিস ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন, দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবার গুণগত মান উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন বক্তারা।