ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরায় স্কুলছাত্রীকে হত্যার পর আলমারিতে লুকানো লাশ উদ্ধার, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন নারী নিহত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা সুলতানার (৯) মরদেহ এক প্রতিবেশীর ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে এক নারী নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিল ফারজানা। দীর্ঘ সময় পার হলেও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ জানানো হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা তল্লাশি চালিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রেতা আমিরুলের স্ত্রী সুমাইয়ার বসতঘরের একটি আলমারির ড্রয়ার থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির কানে থাকা স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

ফারজানার মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এ সময় তারা সন্দেহভাজন সুমাইয়াকে ধরে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি মর্গে পাঠায়। কালিগঞ্জ থানার ওসি জানান, এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা

সাতক্ষীরায় স্কুলছাত্রীকে হত্যার পর আলমারিতে লুকানো লাশ উদ্ধার, গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন নারী নিহত

আপডেট সময় : ১০:৫৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা সুলতানার (৯) মরদেহ এক প্রতিবেশীর ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে এক নারী নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিল ফারজানা। দীর্ঘ সময় পার হলেও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ জানানো হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা তল্লাশি চালিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রেতা আমিরুলের স্ত্রী সুমাইয়ার বসতঘরের একটি আলমারির ড্রয়ার থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটির কানে থাকা স্বর্ণের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

ফারজানার মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এ সময় তারা সন্দেহভাজন সুমাইয়াকে ধরে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি মর্গে পাঠায়। কালিগঞ্জ থানার ওসি জানান, এই জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।