ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

তীব্র তারল্য সংকট: এক মাসেই ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ কোটি টাকা ধার দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের ব্যাংক খাতে বিরাজমান তারল্য সংকট কাটাতে গত জুন মাসে নজিরবিহীন অর্থ সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র এক মাসের ব্যবধানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বিভিন্ন উপায়ে চার লাখ ১০ হাজার ২০২ কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে ব্যাংকগুলোকে এত বড় অঙ্কের তারল্য সহায়তা দেওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

মূলত রেপো, স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) এবং স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ সরবরাহ করা হয়েছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাংকগুলো আগে থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তবে সম্প্রতি বড় কয়েকটি ব্যাংকে অস্থিরতা ও আমানত তুলে নেওয়ার হিড়িক পড়ায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শক্তিশালী ব্যাংকগুলো স্বল্পমেয়াদী রেপোর মাধ্যমে অর্থ নিলেও সংকটে জর্জরিত ব্যাংকগুলো চড়া সুদে স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির ওপর নির্ভর করছে। বর্তমানে রেপোর সুদহার ১০ শতাংশ এবং বিশেষ সহায়তার ক্ষেত্রে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদ কার্যকর রয়েছে। ব্যাংক খাতের এমন ভঙ্গুর পরিস্থিতি অর্থনীতিবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা

তীব্র তারল্য সংকট: এক মাসেই ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ কোটি টাকা ধার দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট সময় : ১০:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

দেশের ব্যাংক খাতে বিরাজমান তারল্য সংকট কাটাতে গত জুন মাসে নজিরবিহীন অর্থ সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র এক মাসের ব্যবধানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বিভিন্ন উপায়ে চার লাখ ১০ হাজার ২০২ কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে ব্যাংকগুলোকে এত বড় অঙ্কের তারল্য সহায়তা দেওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

মূলত রেপো, স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) এবং স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ সরবরাহ করা হয়েছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাংকগুলো আগে থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল ছিল। তবে সম্প্রতি বড় কয়েকটি ব্যাংকে অস্থিরতা ও আমানত তুলে নেওয়ার হিড়িক পড়ায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শক্তিশালী ব্যাংকগুলো স্বল্পমেয়াদী রেপোর মাধ্যমে অর্থ নিলেও সংকটে জর্জরিত ব্যাংকগুলো চড়া সুদে স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির ওপর নির্ভর করছে। বর্তমানে রেপোর সুদহার ১০ শতাংশ এবং বিশেষ সহায়তার ক্ষেত্রে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদ কার্যকর রয়েছে। ব্যাংক খাতের এমন ভঙ্গুর পরিস্থিতি অর্থনীতিবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।