কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী চলমান অস্থিরতার মধ্যে ২০২৪ সালের ২১ জুলাই সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আদালতের রায়ে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ৯৩ শতাংশ করার নির্দেশ দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে সংঘাত থামেনি। কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে অন্তত ২৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
আপিল বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে, মোট নিয়োগের ৯৩ শতাংশ মেধা তালিকা থেকে পূরণ করতে হবে। বাকি ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য, ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই রায়কে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা নির্বাহী বিভাগের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত তাদের অবস্থান থেকে সরে না আসার ঘোষণা দেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে কারফিউ প্রত্যাহার, ইন্টারনেট সচল করা এবং সমন্বয়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ চার দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে গায়েবানা জানাজার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন বাহিনীর প্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন।
রিপোর্টারের নাম 





















