ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে তুলে নিয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উত্তাল সময়ে আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে অপহরণ করে তার ওপর অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। গত ২১ জুলাই রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শরীরের বিভিন্ন অংশে নির্যাতনের ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। বিশেষ করে তার বাম ঊরু, দুই বাহু এবং কাঁধে রক্ত জমাট বাঁধা জখম পরিলক্ষিত হয়েছে।

অপহরণের বর্ণনা দিয়ে নাহিদ ইসলাম জানান, গত শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সাদা পোশাকধারী ২০-২৫ জন লোক তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে চোখ বেঁধে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ ও লোহার লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর নিজেকে পূর্বাচলের একটি নির্জন রাস্তার পাশে আবিষ্কার করেন।

নাহিদের নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা-মা মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও কর্তৃপক্ষ তাকে আটকের বিষয়টি স্বীকার করেনি। নাহিদ জানান, অপহরণকারীরা তার মোবাইল ফোন খোঁজার চেষ্টা করেছিল এবং কয়েক দফায় ভিন্ন ভিন্ন কণ্ঠস্বরের মানুষ তাকে জেরা করেছিল। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা

সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে তুলে নিয়ে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:২১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উত্তাল সময়ে আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে অপহরণ করে তার ওপর অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। গত ২১ জুলাই রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শরীরের বিভিন্ন অংশে নির্যাতনের ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। বিশেষ করে তার বাম ঊরু, দুই বাহু এবং কাঁধে রক্ত জমাট বাঁধা জখম পরিলক্ষিত হয়েছে।

অপহরণের বর্ণনা দিয়ে নাহিদ ইসলাম জানান, গত শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সাদা পোশাকধারী ২০-২৫ জন লোক তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে চোখ বেঁধে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ ও লোহার লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন এবং প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর নিজেকে পূর্বাচলের একটি নির্জন রাস্তার পাশে আবিষ্কার করেন।

নাহিদের নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা-মা মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও কর্তৃপক্ষ তাকে আটকের বিষয়টি স্বীকার করেনি। নাহিদ জানান, অপহরণকারীরা তার মোবাইল ফোন খোঁজার চেষ্টা করেছিল এবং কয়েক দফায় ভিন্ন ভিন্ন কণ্ঠস্বরের মানুষ তাকে জেরা করেছিল। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।