বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উত্তাল সময়ে অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে অপহরণ ও তার ওপর চালানো অমানুষিক নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা পাওয়া গেছে। অপহরণের দুই দিন পর তাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তখন তার শরীরে নির্যাতনের ভয়াবহ চিহ্ন স্পষ্ট ছিল। তার কাঁধ, বাহু এবং ঊরুর বড় অংশজুড়ে রক্ত জমাট বেঁধে কালচে বর্ণ ধারণ করেছিল।
নাহিদ ইসলামের বর্ণনা অনুযায়ী, গত ২০২৪ সালের জুলাই মাসে গভীর রাতে এক বন্ধুর বাসা থেকে তাকে সাদা পোশাকধারী ২০-২৫ জন লোক তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দফায় দফায় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। লোহার লাঠি দিয়ে আঘাতের ফলে তিনি একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর তাকে পূর্বাচল সংলগ্ন জলসিঁড়ি আবাসন এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়। সেখান থেকে কোনোমতে বাসায় ফিরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এই পুরো সময়জুড়ে তার পরিবার ডিবি কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে ধরনা দিলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 




















