ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঐক্যের ডাক: ‘শরিকদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকলেও বিভেদ নেই’

ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনে শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, তবে কোনো বিভেদ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সব শরিককে যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং ৩১ দফা ও জুলাই সনদের আলোকে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুগপৎ আন্দোলনে শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমরা একসঙ্গে আছি, আমরা একসঙ্গে ছিলাম। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও একসঙ্গে থাকব। আমাদের মধ্যে ডিফারেন্স অব ওপিনিয়ন থাকতে পারে, কিন্তু ভুল বোঝাবুঝির কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা একটি জায়গায় একত্রিত হয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এক।”

তিনি আরও বলেন, “একটি দফা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়ে আপনার একটি মত থাকতে পারে, আমার আরেকটি মত থাকতে পারে। এখানেই কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। ৩১ দফা ও জুলাই সনদের আলোকে আমরা ইনশাআল্লাহ দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।”

অতীতের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে অনেকেই দাবি করে। কারও নাম উল্লেখ করতে চাই না। ‘গুপ্ত’ শব্দটি ব্যবহার করলেই মানুষ তাদের চেনে। আন্দোলনের সময় আমরা অনেক খুঁজেছি, কিন্তু তাদের রাজপথে পাইনি। আপনারা কি পেয়েছিলেন? রাজপথে তাদের দেখিনি। পরে বিভিন্ন সময়ে, যারা দেশ থেকে পালিয়ে গেছে তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে তাদের দেখেছি। কিন্তু ১৭ বছর রাজপথে তাদের দেখিনি।”

তিনি বলেন, “সেজন্যই দেশের মানুষ আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে যে, এরাই দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে। আমি দৃঢ়ভাবে তা বিশ্বাস করি।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, “দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখতে আমাদের যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণ প্রত্যাশা নিয়ে আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে। আসুন, আগে আমরা সেই দায়িত্ব পালন করি, তারপর নিজেদের কথা ভাবি।” বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, “অনেক দিন পরে আপনাদের সঙ্গে দেখা হলো। আমরা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমরা সফল হয়েছি। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার যে দাবিতে মানুষের কাছে গিয়েছি, সেই দাবি পূরণ হয়েছে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজারে আসার আগেই ফাঁস হলো গুগল পিক্সেল ওয়াচ ৫-এর নকশা ও ফিচার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঐক্যের ডাক: ‘শরিকদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকলেও বিভেদ নেই’

আপডেট সময় : ১১:২২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনে শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা থাকতে পারে, তবে কোনো বিভেদ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সব শরিককে যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং ৩১ দফা ও জুলাই সনদের আলোকে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুগপৎ আন্দোলনে শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমরা একসঙ্গে আছি, আমরা একসঙ্গে ছিলাম। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও একসঙ্গে থাকব। আমাদের মধ্যে ডিফারেন্স অব ওপিনিয়ন থাকতে পারে, কিন্তু ভুল বোঝাবুঝির কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা একটি জায়গায় একত্রিত হয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এক।”

তিনি আরও বলেন, “একটি দফা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়ে আপনার একটি মত থাকতে পারে, আমার আরেকটি মত থাকতে পারে। এখানেই কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। ৩১ দফা ও জুলাই সনদের আলোকে আমরা ইনশাআল্লাহ দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।”

অতীতের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে অনেকেই দাবি করে। কারও নাম উল্লেখ করতে চাই না। ‘গুপ্ত’ শব্দটি ব্যবহার করলেই মানুষ তাদের চেনে। আন্দোলনের সময় আমরা অনেক খুঁজেছি, কিন্তু তাদের রাজপথে পাইনি। আপনারা কি পেয়েছিলেন? রাজপথে তাদের দেখিনি। পরে বিভিন্ন সময়ে, যারা দেশ থেকে পালিয়ে গেছে তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে তাদের দেখেছি। কিন্তু ১৭ বছর রাজপথে তাদের দেখিনি।”

তিনি বলেন, “সেজন্যই দেশের মানুষ আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে যে, এরাই দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে। আমি দৃঢ়ভাবে তা বিশ্বাস করি।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, “দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখতে আমাদের যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণ প্রত্যাশা নিয়ে আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে। আসুন, আগে আমরা সেই দায়িত্ব পালন করি, তারপর নিজেদের কথা ভাবি।” বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, “অনেক দিন পরে আপনাদের সঙ্গে দেখা হলো। আমরা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমরা সফল হয়েছি। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার যে দাবিতে মানুষের কাছে গিয়েছি, সেই দাবি পূরণ হয়েছে।”