ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

প্রথমবারের মতো জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতার আয়োজন: ৯ লাখ টাকার পুরস্কারসহ থাকছে বিশেষ সুযোগ

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পবিত্র কোরআনের সঠিক ব্যাখ্যা বা তাফসির চর্চা এবং প্রজ্ঞাবান মুফাসসির তৈরির লক্ষ্যেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বিভাগীয় পর্যায় থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবেন। প্রতিযোগিতাটি মূলত দুটি গ্রুপে বিভক্ত। ‘ক’ গ্রুপে ৩০ বছর অনূর্ধ্ব ফাজিল, কামিল বা দাওরায়ে হাদিসের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। তাদের জন্য নির্ধারিত বিষয় হলো সূরা ফাতিহা, আল-বাকারা ও আল-আলাক। অন্যদিকে ‘খ’ গ্রুপে অনূর্ধ্ব ৪০ বছর বয়সী শিক্ষক, ইমাম, গবেষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন, যাদের জন্য সূরা আন-নূর, ইয়াসিনসহ নির্দিষ্ট পাঁচটি সূরার তাফসির নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ের দুই গ্রুপে ছয়জন বিজয়ীকে মোট ৯ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রতি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন পাবেন ২ লাখ টাকা। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ের ৪৮ জন বিজয়ীর জন্যও থাকছে বিশেষ অর্থ পুরস্কার। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের আগে নির্বাচিতদের ঢাকায় সাত দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ বা গ্রুমিং সেশনের ব্যবস্থা করা হবে।

আগ্রহী প্রতিযোগীদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং আরবি ভাষায় পারদর্শিতার পাশাপাশি কোরআনের শব্দার্থ ও ব্যাকরণগত বিষয়ে গভীর জ্ঞান থাকতে হবে। নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সমাজ গঠনে এই প্রতিযোগিতা আলেম সমাজের গবেষণামনস্কতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ায় অনলাইন প্রতারণার ভয়াবহ বিস্তার: এক বছরে ক্ষতি ১১৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে

প্রথমবারের মতো জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতার আয়োজন: ৯ লাখ টাকার পুরস্কারসহ থাকছে বিশেষ সুযোগ

আপডেট সময় : ১০:১৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতা’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পবিত্র কোরআনের সঠিক ব্যাখ্যা বা তাফসির চর্চা এবং প্রজ্ঞাবান মুফাসসির তৈরির লক্ষ্যেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বিভাগীয় পর্যায় থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবেন। প্রতিযোগিতাটি মূলত দুটি গ্রুপে বিভক্ত। ‘ক’ গ্রুপে ৩০ বছর অনূর্ধ্ব ফাজিল, কামিল বা দাওরায়ে হাদিসের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। তাদের জন্য নির্ধারিত বিষয় হলো সূরা ফাতিহা, আল-বাকারা ও আল-আলাক। অন্যদিকে ‘খ’ গ্রুপে অনূর্ধ্ব ৪০ বছর বয়সী শিক্ষক, ইমাম, গবেষক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নিতে পারবেন, যাদের জন্য সূরা আন-নূর, ইয়াসিনসহ নির্দিষ্ট পাঁচটি সূরার তাফসির নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় পর্যায়ের দুই গ্রুপে ছয়জন বিজয়ীকে মোট ৯ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রতি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন পাবেন ২ লাখ টাকা। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ের ৪৮ জন বিজয়ীর জন্যও থাকছে বিশেষ অর্থ পুরস্কার। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের আগে নির্বাচিতদের ঢাকায় সাত দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ বা গ্রুমিং সেশনের ব্যবস্থা করা হবে।

আগ্রহী প্রতিযোগীদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং আরবি ভাষায় পারদর্শিতার পাশাপাশি কোরআনের শব্দার্থ ও ব্যাকরণগত বিষয়ে গভীর জ্ঞান থাকতে হবে। নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সমাজ গঠনে এই প্রতিযোগিতা আলেম সমাজের গবেষণামনস্কতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।