ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

উৎসে কর ফাঁকি রোধে মাঠে এনবিআরের বিশেষ টিম: তল্লাশি চালানো হচ্ছে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে

দেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎসে কর কর্তন ও জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিশেষ তদারকি কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের নির্দেশনায় বিভিন্ন কর অঞ্চলের বিশেষ টিমগুলো বর্তমানে দেশব্যাপী এই যাচাইকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মূলত কর ফাঁকি রোধ এবং রাজস্ব আহরণ প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারার আওতায় কর কর্মকর্তাদের বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষমতাবলে কর্মকর্তারা যেকোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ বা দপ্তরে প্রবেশ করে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ডিজিটাল রেকর্ডসহ যেকোনো নথিপত্র পরীক্ষার এখতিয়ার তাদের রয়েছে। প্রয়োজনে কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্যও যাচাই করতে পারবেন। এমনকি তদন্তের প্রয়োজনে নথিপত্র সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে তাদের।

এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদারকি কার্যক্রমে কোনো প্রকার অসহযোগিতা বা বাধা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানার বিধান রয়েছে। একইসঙ্গে করদাতাদের সঠিক আইনি ধারা ও অর্থনৈতিক কোড ব্যবহার করে ই-চালানের মাধ্যমে উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কার্যক্রম চলাকালীন কোনো অস্পষ্টতা বা হয়রানির শিকার হলে করদাতারা সরাসরি এনবিআরের নির্দিষ্ট ই-মেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করে প্রতিকার চাইতে পারবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় ইংল্যান্ড, তৃপ্ত টুখেল

উৎসে কর ফাঁকি রোধে মাঠে এনবিআরের বিশেষ টিম: তল্লাশি চালানো হচ্ছে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে

আপডেট সময় : ১২:১৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

দেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎসে কর কর্তন ও জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিশেষ তদারকি কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের নির্দেশনায় বিভিন্ন কর অঞ্চলের বিশেষ টিমগুলো বর্তমানে দেশব্যাপী এই যাচাইকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মূলত কর ফাঁকি রোধ এবং রাজস্ব আহরণ প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারার আওতায় কর কর্মকর্তাদের বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষমতাবলে কর্মকর্তারা যেকোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ বা দপ্তরে প্রবেশ করে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ডিজিটাল রেকর্ডসহ যেকোনো নথিপত্র পরীক্ষার এখতিয়ার তাদের রয়েছে। প্রয়োজনে কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্যও যাচাই করতে পারবেন। এমনকি তদন্তের প্রয়োজনে নথিপত্র সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে তাদের।

এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদারকি কার্যক্রমে কোনো প্রকার অসহযোগিতা বা বাধা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানার বিধান রয়েছে। একইসঙ্গে করদাতাদের সঠিক আইনি ধারা ও অর্থনৈতিক কোড ব্যবহার করে ই-চালানের মাধ্যমে উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কার্যক্রম চলাকালীন কোনো অস্পষ্টতা বা হয়রানির শিকার হলে করদাতারা সরাসরি এনবিআরের নির্দিষ্ট ই-মেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করে প্রতিকার চাইতে পারবেন।