লিভারের কার্যকারিতা পরিমাপের অন্যতম প্রধান বায়োকেমিক্যাল সূচক হলো এসজিপিটি বা এএলটি এনজাইম। সাধারণত লিভারের কোষের ভেতরে থাকা এই এনজাইমটি লিভারের কোনো ক্ষতি বা প্রদাহ হলে রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। সুস্থ অবস্থায় রক্তে এর মাত্রা প্রতি লিটারে ৭ থেকে ৫৬ ইউনিটের মধ্যে থাকে। এর চেয়ে বেশি মাত্রার উপস্থিতি লিভারের অসুস্থতার ইঙ্গিত দেয়, যা অবহেলার সুযোগ নেই।
এসজিপিটি বৃদ্ধির পেছনে ভাইরাসজনিত হেপাটাইটিস, ফ্যাটি লিভার, অতিরিক্ত ওষুধ সেবন, স্থূলতা কিংবা পিত্তনালির সমস্যার মতো জটিল কারণ থাকতে পারে। অনেক সময় শুরুতে এর কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না, তবে শারীরিক ক্লান্তি, পেটের ডান দিকে ব্যথা বা জন্ডিসের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং চিকিৎসকের নির্দেশিত পথ অনুসরণ করলে লিভারের এই প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ এবং কোষের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
রিপোর্টারের নাম 























