২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদ। গুম, হত্যা ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে মানুষ যে ঐক্য গড়ে তুলেছিল, তা ছিল একটি নতুন ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার মূল ভিত্তি। তবে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সেই ঐক্যের স্থায়িত্ব নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রাষ্ট্র পুনর্গঠন কোনো একক দলের কাজ নয়, এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক জাতীয় সমঝোতা ও পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ।
বর্তমানে রাজনৈতিক মিত্রশক্তিগুলোর মধ্যে আস্থাহীনতা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গণতন্ত্রের প্রকৃত সুফল পেতে হলে পারস্পরিক সন্দেহ দূর করে একটি অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। ইতিহাস সাক্ষী দেয় যে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে কোনো সরকারই দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। তাই নতুন বাংলাদেশে পুরোনো আধিপত্যবাদী ধারার পুনরাবৃত্তি রোধ করাই এখন সময়ের প্রধান দাবি।
রিপোর্টারের নাম 






















