আষাঢ়-শ্রাবণের আকাশজুড়ে মেঘের গর্জন আর সোঁদা মাটির ঘ্রাণ নিয়ে ফিরে আসত বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির দিনে প্রকৃতি যেন এক অন্যরকম সুরের মূর্ছনায় মেতে উঠত। সাত-আট বছর বয়সী সেই দিনগুলোতে বৃষ্টির বাধা উপেক্ষা করে বন্ধুদের সাথে ছুটে চলা ছিল এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। খালি পায়ে কাদা মাখা রাস্তায় দৌড়াদৌড়ি কিংবা বৃষ্টির জলে ভিজে একাকার হওয়ার আনন্দ ছিল বাঁধনহারা।
বৃষ্টির দিনে ফুটবল খেলার মজাই ছিল আলাদা; বলের গায়ে কাদা লেগে ভারী হয়ে গেলেও খেলার গতি কমত না। সেই সাথে পুকুরপাড়ে আম কুড়ানোর প্রতিযোগিতা আর গাছে উঠে পানিতে ঝাঁপ দেওয়ার উত্তেজনায় কেটে যেত প্রতিটি বিকেল। বাড়ি ফিরলে মায়ের বকুনি আর বাবার গম্ভীর চাহনিও সেই নির্মল আনন্দকে ম্লান করতে পারত না। আজও বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ শুনলে শৈশবের সেই নির্ভেজাল বন্ধুত্ব ও হাসিমাখা দিনগুলো হৃদয়ের গহীনে একরাশ নস্টালজিয়া তৈরি করে।
রিপোর্টারের নাম 























