ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

তীব্র গরমেও বিকাল পর্যন্ত স্কুল: শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সময় পরিবর্তনের দাবি

তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন দেশের মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ক্লাস চালিয়ে যাওয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অতীতে গ্রীষ্মকালীন ছুটির যে আমেজ ও প্রয়োজনীয়তা ছিল, বর্তমানের পরিবর্তিত জলবায়ু ও তীব্র গরমে তা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। জুন-জুলাইয়ের এই অসহনীয় গরমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করা এবং দুপুরের কড়া রোদে যাতায়াত করা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শনে দেখা গেছে, সকালে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক থাকলেও দুপুরের বিরতির পর তা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। সরকারি নির্দেশনার কারণে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্কুল খোলা রাখতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। তবে স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের মতে, এই মৌসুমে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ক্লাসের সময়সূচী নির্ধারণ করলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্যই তা আরামদায়ক হতো। পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে বর্তমান স্কুল সময়সূচী পুনর্মূল্যায়নের দাবি এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাহাবিদের সম্মান: ইসলামের ইতিহাসে তাদের অবিস্মরণীয় অবদান

তীব্র গরমেও বিকাল পর্যন্ত স্কুল: শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সময় পরিবর্তনের দাবি

আপডেট সময় : ১২:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত, তখন দেশের মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ক্লাস চালিয়ে যাওয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অতীতে গ্রীষ্মকালীন ছুটির যে আমেজ ও প্রয়োজনীয়তা ছিল, বর্তমানের পরিবর্তিত জলবায়ু ও তীব্র গরমে তা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। জুন-জুলাইয়ের এই অসহনীয় গরমে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় শ্রেণিকক্ষে অবস্থান করা এবং দুপুরের কড়া রোদে যাতায়াত করা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শনে দেখা গেছে, সকালে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক থাকলেও দুপুরের বিরতির পর তা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। সরকারি নির্দেশনার কারণে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্কুল খোলা রাখতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষকরা। তবে স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের মতে, এই মৌসুমে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ক্লাসের সময়সূচী নির্ধারণ করলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্যই তা আরামদায়ক হতো। পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি এড়াতে বর্তমান স্কুল সময়সূচী পুনর্মূল্যায়নের দাবি এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।