টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় সদর উপজেলার ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ গ্রামের কাছে নদীর বাঁধটি ভেঙে যায়। এরপর প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করে দক্ষিণ চরহামুয়া, উত্তর চরহামুয়া, কালিগঞ্জ, সুঘর, আদ্যপাশা, নোয়াবাদ, সুলতানশী, হাতিরথান, কটিয়াদি, বনগাও, দক্ষিণ বনগাও সহ মোট ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে এলাকার ফসলি জমি ৩-৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং অসংখ্য পুকুর ও ফিশারির মাছ বন্যার জলে ভেসে গেছে।
অনেক গ্রামের শিশু, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ তাদের গরু-ছাগল নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নদীর পাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন। চোখের সামনেই তাদের ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে যেতে দেখে অনেকেই দিশেহারা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, খোয়াই নদীর পানি বিকেল ৩টা থেকে বিপৎসীমার ১৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল এবং নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল, যা নিম্নাঞ্চলে নতুন করে প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
এদিকে, এই ঘটনার খবর পেয়ে হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছ ঢাকা থেকে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনের জন্য রওনা হয়েছেন এবং সকালে সেখানে পৌঁছাবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে, জেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল রাত ১০টায় নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























