চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপকূলীয় এলাকায় শঙ্খ নদের তীর থেকে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে বেড়িবাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
জানা গেছে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় খানখানাবাদের রায়ছটা এবং ঈশ্বর বাবুরহাটসংলগ্ন এলাকায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে। এর ফলে উপকূলীয় বেড়িবাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসন বালু জব্দ করে নিলাম দিলেও পুনরায় বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকায় এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের জোয়ারভাটার প্রভাবে প্রবল ঢেউ এবং অবিরাম বৃষ্টিপাতে বাঁধের অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। খানখানাবাদ, সাধনপুর, বাহারছড়া, সরল, গন্ডামারা, শেখেরখীল ও ছনুয়া এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। বিশেষ করে খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রোসাঙ্গীপাড়া এলাকার বেড়িবাঁধটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
অন্যদিকে, উপকূলবাসীকে সুরক্ষা দিতে সরকার বাঁশখালীতে ৪৯৮ কোটি ২৯ লাখ টাকার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যার আওতায় সমুদ্র তীর প্রতিরক্ষা ও বাঁধ সংস্কারের কাজ চলছে। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজেও অনিয়ম ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব বাঁশখালীর অন্তত ২০টি ছড়া-খাল জবরদখলে থাকায় অপরিকল্পিত পানিপ্রবাহের কারণে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও নিম্নাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে বসতঘর, কৃষিজমি, মাছের ঘের, পুকুর ও গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















