ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

মিসরের গোল বাতিল ও আর্জেন্টিনার গোল বহাল: ভিএআরের যে নিয়মে মিলল সমাধান

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে রেফারিং এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মিসরের মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল বহাল রাখার বিষয়টি ফুটবল বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মূলত ভিএআরের সূক্ষ্ম প্রযুক্তি এবং সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলির কারণেই এমন সিদ্ধান্ত এসেছে বলে ফুটবল বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।

এবারের বিশ্বকাপে ব্যবহৃত প্রযুক্তি অত্যন্ত উন্নত। মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত পর্যালোচনার জন্য প্রতি সেকেন্ডে ৫০টি ফ্রেম ধারণ করতে সক্ষম ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া ট্রায়োন্ডা বলের ভেতর থাকা সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য পাঠায়। ভিএআর মূলত গোল, পেনাল্টি, সরাসরি লাল কার্ড এবং ভুল খেলোয়াড় শনাক্তকরণের মতো চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। মিসরের গোলটি বাতিলের আগে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ফাউলের শিকার হয়েছিলেন কি না, তা ভিএআর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে যাচাই করে। সেখানে ফাউল প্রমাণিত হওয়ায় গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে ডি-বক্সের মধ্যে মোহাম্মদ সালাহকে ফাউল করা হয়েছিল বলে দাবি ওঠে। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায় সেটি ফাউল করার মতো কোনো ঘটনা ছিল না। ফলে গোলটি বহাল থাকে। ফুটবলের এই আধুনিক প্রযুক্তিতে মাঠের রেফারির সঙ্গে ভিএআর রুমের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ থাকে, যার অনেক কিছুই দর্শকদের অগোচরে সম্পন্ন হয়। মূলত প্রতিটি সূক্ষ্ম ফ্রেম যাচাই করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্য খেলাফত মজলিসের শুরা অধিবেশন: ফ্যাসিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার আহ্বান

মিসরের গোল বাতিল ও আর্জেন্টিনার গোল বহাল: ভিএআরের যে নিয়মে মিলল সমাধান

আপডেট সময় : ১১:৫১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে রেফারিং এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআরের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মিসরের মোস্তফা জিকোর গোল বাতিল এবং আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোল বহাল রাখার বিষয়টি ফুটবল বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মূলত ভিএআরের সূক্ষ্ম প্রযুক্তি এবং সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়মাবলির কারণেই এমন সিদ্ধান্ত এসেছে বলে ফুটবল বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।

এবারের বিশ্বকাপে ব্যবহৃত প্রযুক্তি অত্যন্ত উন্নত। মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত পর্যালোচনার জন্য প্রতি সেকেন্ডে ৫০টি ফ্রেম ধারণ করতে সক্ষম ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া ট্রায়োন্ডা বলের ভেতর থাকা সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য পাঠায়। ভিএআর মূলত গোল, পেনাল্টি, সরাসরি লাল কার্ড এবং ভুল খেলোয়াড় শনাক্তকরণের মতো চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে। মিসরের গোলটি বাতিলের আগে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ফাউলের শিকার হয়েছিলেন কি না, তা ভিএআর অত্যন্ত নিবিড়ভাবে যাচাই করে। সেখানে ফাউল প্রমাণিত হওয়ায় গোলটি বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে।

অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোলের আগে ডি-বক্সের মধ্যে মোহাম্মদ সালাহকে ফাউল করা হয়েছিল বলে দাবি ওঠে। তবে ভিএআর পর্যালোচনায় দেখা যায় সেটি ফাউল করার মতো কোনো ঘটনা ছিল না। ফলে গোলটি বহাল থাকে। ফুটবলের এই আধুনিক প্রযুক্তিতে মাঠের রেফারির সঙ্গে ভিএআর রুমের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ থাকে, যার অনেক কিছুই দর্শকদের অগোচরে সম্পন্ন হয়। মূলত প্রতিটি সূক্ষ্ম ফ্রেম যাচাই করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়।