ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনে ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে এই খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশে পৃথক ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ (ডিআইজেড) স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বৈদেশিক নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে একটি আধুনিক ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্পনীতি প্রণয়নের কাজ বর্তমানে চলমান। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে ড্রোন প্রযুক্তি, অত্যাধুনিক সেন্সর এবং ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম উৎপাদনে বাংলাদেশ সক্ষমতা অর্জন করবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন বছর ও সাত বছর মেয়াদি দুটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এর আওতায় অত্যাধুনিক ট্যাংক, সাঁজোয়া যান, আধুনিক আর্টিলারি এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংযোজন করা হবে। পাশাপাশি নজরদারি বাড়াতে ড্রোন ও আধুনিক গোয়েন্দা প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্য খেলাফত মজলিসের শুরা অধিবেশন: ফ্যাসিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার আহ্বান

প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনে ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১১:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে এই খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশে পৃথক ‘ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ (ডিআইজেড) স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বৈদেশিক নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে একটি আধুনিক ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্পনীতি প্রণয়নের কাজ বর্তমানে চলমান। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে ড্রোন প্রযুক্তি, অত্যাধুনিক সেন্সর এবং ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম উৎপাদনে বাংলাদেশ সক্ষমতা অর্জন করবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন বছর ও সাত বছর মেয়াদি দুটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এর আওতায় অত্যাধুনিক ট্যাংক, সাঁজোয়া যান, আধুনিক আর্টিলারি এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংযোজন করা হবে। পাশাপাশি নজরদারি বাড়াতে ড্রোন ও আধুনিক গোয়েন্দা প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।