ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

দখল ও দূষণে অস্তিত্ব সংকটে শেরপুরের সাহাতি নদী, উদ্ধারের দাবি স্থানীয়দের

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের খরস্রোতা সাহাতি নদী এখন অস্তিত্ব সংকটে। প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের অবৈধ দখল আর দীর্ঘদিনের অযত্ন-অবহেলায় নদীটি ক্রমশ সংকুচিত হয়ে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর দুই তীরের বিশাল এলাকা দখল করে অনেকে চাষাবাদ ও ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন, যার ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম এই নদী। কিন্তু বর্তমানে নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় এবং দুই তীরে কোনো প্রতিরক্ষা বাঁধ না থাকায় প্রতি বছরই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বিশেষ করে ঝিনাইগাতীর চাপাঝোড়া এলাকায় বন্যার তোড়ে ফসলি জমি বালুচরে পরিণত হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, দ্রুত নদীটি খনন করে দখলমুক্ত করা না হলে এই অঞ্চলের কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাহাতি নদী পুনঃখনন ও তীর সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্প অনুমোদিত হলে নদীটি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে মার্কিন হামলার যৌক্তিকতা তুলে ধরলেন ন্যাটো মহাসচিব

দখল ও দূষণে অস্তিত্ব সংকটে শেরপুরের সাহাতি নদী, উদ্ধারের দাবি স্থানীয়দের

আপডেট সময় : ১২:১৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের খরস্রোতা সাহাতি নদী এখন অস্তিত্ব সংকটে। প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের অবৈধ দখল আর দীর্ঘদিনের অযত্ন-অবহেলায় নদীটি ক্রমশ সংকুচিত হয়ে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর দুই তীরের বিশাল এলাকা দখল করে অনেকে চাষাবাদ ও ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন, যার ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলের পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম এই নদী। কিন্তু বর্তমানে নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় এবং দুই তীরে কোনো প্রতিরক্ষা বাঁধ না থাকায় প্রতি বছরই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বিশেষ করে ঝিনাইগাতীর চাপাঝোড়া এলাকায় বন্যার তোড়ে ফসলি জমি বালুচরে পরিণত হচ্ছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, দ্রুত নদীটি খনন করে দখলমুক্ত করা না হলে এই অঞ্চলের কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাহাতি নদী পুনঃখনন ও তীর সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্প অনুমোদিত হলে নদীটি রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।