ব্যক্তিগত জীবনের চরম বিপর্যয় আর শোককে পেছনে ফেলে ফুটবল বিশ্বকে এক অনন্য গল্প শোনালেন কানাডিয়ান মিডফিল্ডার স্টিফেন ইউস্তাকিও। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বাবা ও মাকে হারিয়ে যখন তিনি মানসিকভাবে বিধ্বস্ত, ঠিক তখনই ফুটবলের সবুজ গালিচা তাকে ফিরিয়ে দিল এক ঐতিহাসিক প্রাপ্তি। নিয়মিত অধিনায়ক আলফোনসো ডেভিসের অনুপস্থিতিতে দলের হাল ধরে কানাডাকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিয়ে গেলেন এই তারকা ফুটবলার।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকার পর যোগ করা সময়ে ইউস্তাকিওর সেই জাদুকরী শট ইতিহাস গড়ে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার নিখুঁত গোলটি দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ১-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ের মাধ্যমে কানাডা ফুটবল ইতিহাসে নিজেদের নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল, যার মূল কারিগর ছিলেন ২৯ বছর বয়সি এই মিডফিল্ডার।
ম্যাচ শেষে অশ্রুসিক্ত নয়নে ইউস্তাকিও তার এই ঐতিহাসিক অর্জন উৎসর্গ করেছেন তার প্রয়াত বাবা-মা এবং দেশের মানুষের প্রতি। ২০১৯ সালে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-২১ দলের মায়া ত্যাগ করে কানাডা জাতীয় দলকে বেছে নেওয়া ইউস্তাকিও এখন দেশটির ফুটবলের এক অবিস্মরণীয় নাম। তার এই জয়গাথা কেবল মাঠের লড়াই নয়, বরং জীবনের কঠিনতম সময়ে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে ঘুরে দাঁড়ানোর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 























