প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সরকার এনজিওগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে আগ্রহী। সরকারের একার পক্ষে নয়, বরং সরকার এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সম্মিলিত উদ্যোগেই শিক্ষায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব। সোমবার ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘জিও-এনজিও কোলাবোরেশন ডায়ালগ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা সংস্কারে সরকারের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের শিখনফল বৃদ্ধি করা। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার পাঁচটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: কারিকুলাম, শিক্ষক, প্রশাসন, অবকাঠামো এবং প্রযুক্তি। ভবিষ্যতের সকল শিক্ষা সংস্কার এই পাঁচটি ক্ষেত্রকে কেন্দ্র করেই বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।
ববি হাজ্জাজ আরও উল্লেখ করেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চায়। এই লক্ষ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়ন, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল মনিটরিং এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
দেশের ৬৫ হাজারেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিবর্তন আনতে বাস্তবসম্মত, সম্প্রসারণযোগ্য এবং টেকসই উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে এনজিওগুলোর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী মডেল সরকারকে বিশেষভাবে সহায়তা করতে পারে।
এছাড়াও, প্রতিবন্ধী শিশু, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, নন-ফরমাল শিক্ষা, শহরমুখী অভিবাসী শিশু, চা-বাগান এলাকার শিশু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন এনজিওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















